প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পাঁচ দিন পরই ডব্লিউএইচও-তে পুনরায় যোগদানের বিষয়ে বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। শনিবার (২৬ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

লাস ভেগাসে এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, “হয়তো আমরা আবার এটি করার কথা বিবেচনা করব। তবে তাদের এটা পরিষ্কার করতে হবে।” এর আগে তিনি ডব্লিউএইচও-কে কোভিড-১৯ মহামারি এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় ভুলভাবে পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ তুলে বলেছিলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য আমাদের ঠকিয়েছে।”

ট্রাম্পের প্রশাসন ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করলেও, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতায় এসে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচও-এর সবচেয়ে বড় দাতা দেশ, যার অর্থায়ন বিশ্ব সংস্থার মোট বাজেটের প্রায় ১৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা বন্ধ হয়ে গেলে ডব্লিউএইচও-এর কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারত।

ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা নতুন নয়। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদেও চীনের প্রভাব থাকার অভিযোগ তুলে এ ধরনের সিদ্ধান্তের কথা বলেছিলেন। লাস ভেগাসের বক্তব্যে তিনি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নের পার্থক্য নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ট্রাম্প বলেন, “চীনে জনসংখ্যা বেশি হলেও, ডব্লিউএইচও-তে যুক্তরাষ্ট্র বেশি অর্থ প্রদান করে।”