হাবিব সরকার স্বাধীন, মিরপুর বিআরটিএ অফিসে গ্রাহকদের সেবা প্রদানের নামে অর্থ আত্মসাৎ করা এক দালাল চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার। ঘটনাটি ঘটে ৩ অক্টোবর, বৃহস্প্রতিবার দুপুর ১টায়। অভিযুক্তরা গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন, লাইসেন্স, ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন ফি নবায়নসহ বিভিন্ন কাজের জন্য গ্রাহকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করছিলেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন:

  1. মোঃ কামরুল (৫০), পিতা: শামীম উদ্দীন, মিরপুর ১৩, ঢাকা।
  2. ফারুক (২৮), পিতা: আবু তাহের, পূর্ব কাজী পাড়া, মিরপুর।
  3. জামাল হোসেন (৪৯), পিতা: নুর ইসলাম, মিরপুর ১১।
  4. হুমায়ুন রশিদ (২৭), পিতা: মোঃ আলাউদ্দীন, সেনপাড়া কাফরুল, ঢাকা।

বিআরটিএ অফিসে দালাল চক্রের উৎপাত দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা গ্রাহকদের কাছ থেকে এই চক্রটি গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন, ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস ইত্যাদি কাজের নামে প্রতারণা করে টাকা আদায় করতো। গ্রাহকদের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিনিয়ত এই প্রতারকরা লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছিল।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার জানান, মিরপুর বিআরটিএ অফিসে দালালদের অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে, তবে বর্তমান অভিযানের ফলে পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আনসার কমান্ডার ফরিদ হোসেন জানান, তার দায়িত্বকালে বিআরটিএ-তে দালালদের সংখ্যা কমেছে। তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, যতদিন তিনি থাকবেন, দালালদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

বিআরটিএ ইঞ্জিন শাখার উপ-পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, অনলাইন ব্যবস্থার কারণে দালালদের সংখ্যা কমেছে এবং খুব শিগগিরই অফিসটি দালালমুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

গ্রাহকদের অভিমত অনুযায়ী, অনলাইন প্রক্রিয়ার কারণে দালালদের কার্যক্রম অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে এবং তারা এখন অনেক বেশি সেবা পাচ্ছেন।