পুঁজিবাজার ডেস্ক
কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফিলিস্তিন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, ভারত, তুরস্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভ্যাটিকান সিটি, ইরান, ব্রুনাই দারুসসালাম, মালদ্বীপ, আলজেরিয়া, কসোভো, মিশর, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, নেপাল, ফিলিপাইন, নেদারল্যান্ডস, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা। এছাড়া ইউএনডিপি, ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ, ইউএনওডিসি, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, আইওএমসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম, অ্যাডভোকেট মুয়াজ্জম হোসাইন হেলাল, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, আবদুর রব ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনিরসহ অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও গঠনমূলক সম্পর্কের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে আরও ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক বোঝাপড়া, ন্যায়ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পবিত্র রমজান মানুষকে সংযম, সহমর্মিতা, ন্যায়বোধ ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। এই মূল্যবোধ ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ধারণ করা গেলে একটি শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং বিশ্বমানবতার শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।









