
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬’ এবং ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করেন। এছাড়া সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি করে জলপাই, জারুল ও নিম গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজিত বৃক্ষমেলা ও পরিবেশমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে সর্বপ্রথম বৃক্ষরোপণকে রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দেন এবং ১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় বননীতি প্রণয়ন করেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষমেলার সূচনা করেন এবং অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের একটি বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। জিআইএস (GIS), রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটালভাবে বনায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে।
সরকারের প্রত্যাশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে।
এদিকে রাজধানীতে মাসব্যাপী পরিবেশ মেলা ও জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি দেশের ৭টি বিভাগীয় সদর, ৫৬টি জেলা সদর এবং ২৯টি উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে।






