
স্টাফ রিপোর্টার
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টি-র ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সমাবেশে হাতবোমা (ককটেল) বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই সংবাদকর্মীসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে সাভার মডেল থানা-য় বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছে এনসিপি।
সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তারাপুর ঈদগাহ মাঠ-এ সমাবেশ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এনসিপির ঢাকা জেলা শাখা এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
ঘটনার সময় মঞ্চে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সার্জিস আলম উপস্থিত ছিলেন। সে সময় ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত দাবি করেন, বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ আগে সমাবেশস্থলের বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। তার ভাষ্য, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা।
বিস্ফোরণে আহতদের মধ্যে রয়েছেন জুলাই শহীদ শ্রাবণ গাজীর বাবা মান্নান গাজী, শাহীন খন্দকার, জসীম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ডিবিসি নিউজ-এর ক্যামেরাপারসন মো. মজনু এবং এনপিবি নিউজ-এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাঈদুল ইসলাম। আহতদের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঞ্চের সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান ছিল। তাদের পেছনে সাধারণ মানুষের জন্য নির্ধারিত স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর ধোঁয়ায় পুরো এলাকা ছেয়ে যায় এবং সমাবেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর বিদ্যুৎ ফিরে আসে।
ঘটনার পর নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন। পরে তারা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন।
সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমালোচনা করেন এবং হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীদের আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।






