
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক দরপতন, কারসাজি ও অনিয়মের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনায় দায়ীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুঁজিবাজারে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ
আজ বুধবার ০৮-০৭-২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে
তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে সরকার বেশ কিছু অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে—
১. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) দক্ষ ও অভিজ্ঞ চেয়ারম্যান এবং কমিশনার নিয়োগ। ২. বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার। ৩. লাভজনক সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানিকে সরাসরি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করতে উৎসাহ প্রদান। ৪. শক্তিশালী মৌলভিত্তিসম্পন্ন ও এসএমই কোম্পানিকে বাজারে নিয়ে আসা। ৫. বাজার কারসাজি প্রতিরোধে তথ্য প্রদানকারী (হুইসেলব্লোয়ার) সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ৬. অডিট ফার্মগুলোর জন্য প্যানেল নীতিমালা প্রণয়ন। ৭. ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স কমানো এবং লভ্যাংশ আয়ের ওপর দ্বৈত কর প্রত্যাহার। ৮. পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সরাসরি মামলা দায়েরের বিধান চালু। ৯. ‘পুঁজিবাজার সংস্কার কমিশন’ এবং বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন। ১০. বাজার তদারকিতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) নজরদারি ব্যবস্থা চালু। ১১. ই-কেওয়াইসি এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন আরও সহজ করা। ১২. বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল গঠন এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ট্রেজারি বন্ডে লেনদেনের সুযোগ উন্মুক্ত করা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “বর্তমান সরকার শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। আমরা এমন একটি উন্নত পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে চাই, যেখানে বিনিয়োগকারীদের সম্পদ নিরাপদ থাকবে






