বিশেষ প্রতিনিধি: (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় এবং রাউজানের ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মো. রায়হান নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মধ্য বেতাগী এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং নির্বাচনে জয়লাভ করার সম্ভাবনা থাকায় ভিকটিম যাতে নির্বাচন করতে না পারে সেজন্য বিবাদীগন ভিকটিমকে চিরতরে পৃথিবী থেকে সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করে, এবং প্লানিং অনুযায়ী গত (১৩ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টার সময় ভিকটিম ব্যবসায়িক কাজে রাউজান থানাধীন ৯নং পাহাড়তলী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারের আশরাফিয়া ফার্মেসীর সামনে অবস্থান করাকালে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী সিএনজি যোগে এসে পিস্তল ও শটগান দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিৎ করে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মিডিয়া এ.আর.এম মোজাফফর হোসেন জানান, রাউজানে যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানায় ১১জনকে এজাহারনামীয় ও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-১৪/৮৬, তারিখ-১৬ জুন ২০২৬ইং; ধারা-৩০২/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০।
এরই ধারাবাহিকতায় আসামি গ্রেফতারের জন্য নজরদারী অব্যাহত রাখেন র‍্যাব, এবং নজরদারীর এক পর্যায়ে গত (১৪ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বর্নিত মামলার আসামি মো. রায়হানকে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানা এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেছেন র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম।

গ্রেফতারকৃত আসামি মো. রায়হান (২৪), চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন পেয়দা-পাড়া এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে।

র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছেন এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছেন।