বিশেষ প্রতিনিধি :

সকাল থেকেই আষাঢ়ের অঝোর ধারা। বৃষ্টিস্নাত মাদারীপুরের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও রাজপথ ছিল জনসমুদ্রে উত্তাল। আষাঢ়ের তীব্র বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দু’পাশে জড়ো হয়েছিলেন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। উদ্দেশ্য একটাই—দক্ষিণবঙ্গ সফরে বের হওয়া প্রিয় নেতা, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে একনজর দেখা এবং তাকে অভ্যর্থনা জানানো।​কখনও মুষলধারে, আবার কখনও টিপটিপ বৃষ্টি—প্রকৃতির এই বৈরিতাও দমাতে পারেনি অপেক্ষমাণ জনতাকে। হাতে ফুল আর ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে রাস্তার দু’পাশে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন আবালবৃদ্ধবনিতা।​”নেতাকে সামনাসামনি দেখতে পাওয়ার এই আনন্দের কাছে বৃষ্টি কোনো বাধাই নয়,”—এমনই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন মস্তফাপুর এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা এক সাধারণ পথচারী।​অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাদারীপুরের সীমানায় এসে পৌঁছায় তারেক রহমানের গাড়িবহর। মাদারীপুরের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মস্তফাপুর এলাকা অতিক্রম করার সময় উপস্থিত জনতা সমস্বরে স্লোগান দিয়ে ওঠে। এ সময় প্রিয় নেতার বহনকারী লাল-সবুজের গাড়িতে ফুল ছিটিয়ে এক অভূতপূর্ব অভ্যর্থনা জানায় সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা।​জনতার এমন স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও উচ্ছ্বাস দেখে মুগ্ধ হন তারেক রহমান। তিনি গাড়ির ভেতর থেকে হাত নেড়ে উপস্থিত জনতার শুভেচ্ছার জবাব দেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।​তারেক রহমানের এই দক্ষিণবঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে গোটা মাদারীপুর জুড়ে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল ও শ্রমিকদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন সাজিয়ে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে। মাদারীপুর পার হয়ে তার বহরটি বরিশালের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরও নেতাকর্মীদের মাঝে উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।