বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |১৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
ঈদের দিন ও পূর্বদিন বাংলাদেশের উপর শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে চীন স্থগিত করছে কার্গো পরিবহন সেবা উত্তর কোরিয়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল সমুদ্র থেকে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষ কার্যদিবসে শেয়ার সূচকের পতন, লেনদেনও সংকুচিত সরকার ঘোষণা করলো ঈদুল ফিতরের একদিন বাড়তি সরকারি ছুটি প্রাইম ফাইন্যান্সের পরিচালনার সক্ষমতায় প্রশ্ন, নিরীক্ষকের মন্তব্য জিকিউ বলপেনের পরিচালক বোনকে উপহার দিচ্ছেন শেয়ার সাউথইস্ট ব্যাংক পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের ১০% কূপণ রেট ঘোষণা এনআরবি ব্যাংকের কোম্পানি সচিবের পদত্যাগ

সর্বশেষ আপডেট:

প্রকাশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬

দেশেহাসপাতালগুলোর জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দেশের সব হাসপাতালের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব নির্দেশনার আলোকে হাসপাতালগুলোকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ ও রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নোক্ত সাতটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।

১. হাসপাতালের ভাঙা জানালা, দরজা বা ঠান্ডা বাতাস প্রবেশের স্থান পিডব্লিউডি/এইচইডি/নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মেরামত বা সংস্কার করতে হবে। এর মাধ্যমে শীতকালীন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে এবং রোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

২. রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় কম্বল ও মশারি সরবরাহ করতে হবে, যাতে শীত ও তাপমাত্রা পরিবর্তনের ফলে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়।

৩. শীতকালীন রোগের চিকিৎসার জন্য নেবুলাইজার সলিউশন, অ্যান্টিবায়োটিক, অক্সিজেন, ওরাল স্যালাইন, আইডি ফ্লুইড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে হাসপাতালে সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে বাধ্যতামূলক বৈকালিক রাউন্ড নিশ্চিত করতে হবে।

৫. রোগীর অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যদের শীতকালীন রোগ এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান করা যেতে পারে।

৬. প্রতিদিন এমআইএস কন্ট্রোল রুমে হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।

৭. হাসপাতাল প্রধানদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি রাখা প্রয়োজন, যাতে শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং রোগীরা সঠিক সেবা পায়।

চিঠিতে আরও করা হয়েছে, উপরোল্লিখিত পদক্ষেপগুলো প্রতিপালনের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক, জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.