বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:

সর্বশেষ আপডেট:

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

ওয়ালটন হাই-টেকের বিশেষ অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি বহির্গমন মহড়া অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির হেডকোয়াটার্সে বিশেষ অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি বহির্গমন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেইফটি (ইএইচএস) বিভাগের ফায়ার সেফটি ম্যানেজমেন্ট সেকশনের উদ্যোগে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর ২০২৫) ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহযোগিতায় আয়োজিত এ মহড়ায় ওয়ালটনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। মহড়ার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পদ্ধতি এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

মহড়ায় টিটিএল ফায়ার ফাইটিং ট্রাক, ফায়ার এক্সটিংগুইশার, ফায়ার হোজ ও ফায়ার হাইড্রেন্টের ব্যবহারিক প্রয়োগ, অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক করণীয়, আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং নিরাপদ বহির্গমন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত প্রদর্শন ও আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সের এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, “কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অগ্নিনির্বাপন, জরুরি উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে দক্ষতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের মহড়া জরুরি পরিস্থিতিতে জীবন রক্ষা এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশ শ্রম বিধি অনুযায়ী ভবনে কর্মরত সকলের প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে নিয়মিত মহড়া আয়োজন অপরিহার্য। ওয়ালটন এ বিষয়ে সর্বদা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।”

ইএইচএস বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু বলেন, “পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অগ্নিনিরাপত্তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার ঘাটতি, পর্যাপ্ত নির্গমন পথের অভাব এবং প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার ঘাটতির কারণেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। সকলের সচেতন অংশগ্রহণ অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।”

বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, কালিয়াকৈর স্টেশনের ইনচার্জ ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সবসময় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে যে কোনো অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উদ্যোগই প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অগ্নিনিরাপত্তা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।” 

এছাড়া, মহড়ায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তানভীর আহমেদ এবং এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী স্যারের টেকনিক্যাল অ্যাসিট্যান্ট আব্দুল কাদেরসহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই মহড়াটি কয়েকটি কার্যকরী দলে বিভক্ত ছিল। এর লক্ষ্য ছিল আপদকালীন সময়ে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দ্রুত, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সরিয়ে নেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের জান-মালের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উক্ত মহড়ার সঞ্চালনায় ছিলেন ওয়ালটন ইএইচএস বিভাগের ফায়ার সেফটি ম্যানেজমেন্ট সেকশনের ইনচার্জ ইঞ্জিনিয়ার মো. ইশাদুল ইসলাম। 

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.