শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন | ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |১০ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনাম:
বাংলাদেশের বীমা খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষ সাক্ষাৎকারে সোনালী লাইফের ডিএমডি ও সিএফও মো: আব্দুল হান্নান, এফসিএ লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে ইনটেক লিমিটেডের লেনদেনের তালিকায় সিটি ব্যাংক শীর্ষস্থান দখল সিকিমে ৩.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, রাজধানীসহ দেশে কেঁপে উঠল ৫.১ মাত্রার কম্পন রেটিং মূল্যায়ন সম্পন্ন ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের সূচক ঊর্ধ্বমুখী, এক ঘণ্টায় ৩১০ শেয়ারের দর বৃদ্ধি প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি–এর ৩৪০তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত আলোচিত ২৫৭ প্রকৌশলীকে পদোন্নতির উদ্যোগ এলজিইডির মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি, আপিল বিভাগে খালাস খান আকরাম প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

সর্বশেষ আপডেট:

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি, আপিল বিভাগে খালাস খান আকরাম

ডেস্ক রিপোর্ট

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া খান আকরাম হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গতকাল একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া খান আকরাম হোসেনের আপিলের ওপর রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

২০১৫ সালের ১১ আগস্ট এ মামলায় বাগেরহাটের শেখ সিরাজুল হক ওরফে সিরাজ মাস্টারকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

বাগেরহাটের আরেকজন খান মো. আকরাম হোসেনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

রায়ের দিন ধার্য থাকায় সকালেই সিরাজ ও আকরামকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায়ে বলা হয়, এই মামলার আসামি তিনজন। এর মধ্যে সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি এবং আকরামের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি প্রমাণিত হয়েছে।

প্রমাণিত হওয়া পাঁচ অভিযোগেই সিরাজকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ফায়ারিং স্কোয়াডে বা ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। 

আর প্রমাণিত হওয়া এক অভিযোগে আকরামকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খান আকরাম হোসেন।

এ মামলার আরেক আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.